উজানচর কে এন উচ্চ বিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম!

উজানচর কে এন উচ্চ বিদ্যালয়

ফিরে যাই একশত বছর আগে। বঙ্গভঙ্গ ও বঙ্গভঙ্গ রদের সামাজিক অভিঘাতে জর্জরিত পূর্ব বাংলার গ্রামগুলো। এ সময় কাল পর্যন্ত ধূলোমাখা, কর্দমাক্ত , মেঠো বাংলায় না ছিল ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা, না ছিল শিক্ষা। গ্রামগুলো ছিল শহর থেকে দূরে খানিকটা বিচ্ছিন্ন ও কৃষি নির্ভর । লেখা পড়ার প্রয়োজনীয়তা অনুধাবনে অক্ষম এক জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল। বাংলায় তখন জমিদারী প্রথা ছিল, জমিদাররা কেউ কেউ অত্যাচারী , জুলুমবাজ হলেও – দান ও প্রজাবৎসল বলে কারো কারো খ্যাতি ছিল। এ অঞ্চলের জমিদার স্বর্গীয় ভগবান চন্দ্র রায় ও দ্বারকানাথ চন্দ্র রায় ছিলেন দানশীল ও শিক্ষানুরাগী । এই মহান ভাতৃদ্বয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ও আন্তরিকতায় অনগ্রসর এতদঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারের লক্ষে ১৯০৫ সালের ২ রা ফেব্রুয়ারী ৫.২১ একর জমির উপর তাদের পিতামহের নামে বিদ্যালয়টি স্থাপন করেন, যার নাম উজানচর কে এন উচচ বিদ্যালয়। সম্পূর্ণ পড়ুন

তপন চন্দ্র সূত্রধর - প্রধান শিক্ষক - উজানচর কে এন উচ্চ বিদ্যালয়

কাজী জাদিদ আল রাহমান জনি.

মানুষের কর্মদক্ষতা অর্জনের মৌলিক চাহিদাগুলোর মধ্যে শিক্ষা অন্যতম । শিক্ষা হল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান , যার মাধ্যমে মানুষ অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন সাধন করতে পারে। ধ্রুপদি অর্থনীতিবিদ এ্যাডাম স্মিথ মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে শিক্ষার গুরুত্ব অকপটে স্বীকার করেছেন। একইভাবে ডেভিড রিকার্ডো , জন স্টুয়ার্ট মিল এবং আলফ্রেড মার্শাল প্রমুখ অর্থনীতিবিদগণ শিক্ষাকে মানুষের বুদ্ধি বৃত্তির বিকাশ, কাজের উদ্দিপনা ও নিপুনতা বাড়ানোর উপাদান হিসেবে বিবেচনা করেছেন। রবীন্দ্রনাথ শিক্ষাকে বর্ণনা করেছেন – জীবনের অতি আবশ্যকীয় অনুসঙ্গ হিসাবে। সম্পূর্ণ পড়ুন

কাজী জাদিদ-আল-রহমান - সভাপতি - উজানচর কে এন উচ্চ বিদ্যালয়

কাজী জাদিদ আল রাহমান জনি.

একটি সুশীল, সুশৃঙ্খল ও উন্নত জাতি বিনির্মাণে শিক্ষা একটি অপরিহার্য অঙ্গ। জাতির স্বপ্ন ও সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তুলতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। এই মহান উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই কতিপয় গুণী ব্যক্তির উদার প্রয়াসে ১৯০৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি গড়ে ওঠে উজানচর কে এন উচ্চ বিদ্যালয়। কালের প্রবাহে অনেক ঘটনা অতীতের গর্ভে বিলীন হয়ে যায়, আবার কিছু কিছু ঘটনা ইতিহাসে ঠাঁই করে নেয়।

সম্পূর্ণ পড়ুন